সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে গোলমরিচ অত্যন্ত কার্যকরী, কিন্তু তা ছাড়াও গোলমরিচের বেশ কিছু উপকার রয়েছে। ত্বকের রোগ থাকলে তার চিকিৎসাতে কাজে লাগে গোলমরিচ। গোলমরিচ গুঁড়ো করে, স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর হয়। ফলে ত্বকে সহজে অক্সিজেন চলাচল করতে পারে এবং রক্ত সঞ্চালন হয়। পিগমেন্টেশন ও অ্যাকনে দূর করতেও সাহায্য করে গোলমরিচ। গোটা মরিচের খোসা অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। ফলে গোলমরিচ দিয়ে খাবার বানালে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরবে সহজেই। গোলমরিচ হজমে সাহায্য করে। কারণ এটি পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষরণের মাত্রা বাড়ায়। হজম ঠিক থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়ার মতো সমস্যাকে এড়ানো যায়। হজমের সমস্যা থেকে অনেক রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। ফলে সেইগুলি এড়ানো যায়। যারা অতিরিক্ত মাত্রায় ধূমপান করেন তাদের জন্য গোলমরিচ খুবই উপকারী। গোলমরিচ তেলের গন্ধ নিয়মিত সেবন করা বা সরাসরি গোলমরিচ খেলেও ধূমপানের প্রতি আসক্তি কমবে অনেকটাই। দাঁতে ক্যাভিটি বা ব্যথা থাকলে মুখে গোলমরিচ রাখতে পারেন। ব্যথা নিরাময় করতে গোলমরিচ সাহায্য করে। নাক বন্ধ থাকা, হাঁপানি ইত্যাদি থেকে মুক্তি দিতেও গোলমরিচের জুড‌়ি মেলা ভার। এক কাপ গরম জলে এক টেবিল চামচ গোলমরিচ এবং দুই টেবিল চামচ মধু দিয়ে খেলে শ্লেষ্মা দূর হবে। গলা ব্যথা কমবে। গোলমরিচ খেলে শরীর গরম হয়ে ঘাম বেশি হয়। ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন কমতে থাকে। ফলে ত্বক ভালো থাকে ও ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। "/>

মহৌষধ হিসেবে খাবারে কাজ করে গোলমরিচ

খাবারে গোল মরিচ শুধু স্বাদই বাড়ায় না, এর গুণাগুণও অনেক। বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবেও কাজ করে এই গোলমরিচ। তাই স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেও খাবারে গোলমরিচ খাওয়া প্রয়োজনীয়।

সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে গোলমরিচ অত্যন্ত কার্যকরী, কিন্তু তা ছাড়াও গোলমরিচের বেশ কিছু উপকার রয়েছে। ত্বকের রোগ থাকলে তার চিকিৎসাতে কাজে লাগে গোলমরিচ। গোলমরিচ গুঁড়ো করে, স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর হয়। ফলে ত্বকে সহজে অক্সিজেন চলাচল করতে পারে এবং রক্ত সঞ্চালন হয়। পিগমেন্টেশন ও অ্যাকনে দূর করতেও সাহায্য করে গোলমরিচ।

গোটা মরিচের খোসা অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। ফলে গোলমরিচ দিয়ে খাবার বানালে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরবে সহজেই। গোলমরিচ হজমে সাহায্য করে। কারণ এটি পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষরণের মাত্রা বাড়ায়। হজম ঠিক থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়ার মতো সমস্যাকে এড়ানো যায়। হজমের সমস্যা থেকে অনেক রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। ফলে সেইগুলি এড়ানো যায়।

যারা অতিরিক্ত মাত্রায় ধূমপান করেন তাদের জন্য গোলমরিচ খুবই উপকারী। গোলমরিচ তেলের গন্ধ নিয়মিত সেবন করা বা সরাসরি গোলমরিচ খেলেও ধূমপানের প্রতি আসক্তি কমবে অনেকটাই। দাঁতে ক্যাভিটি বা ব্যথা থাকলে মুখে গোলমরিচ রাখতে পারেন। ব্যথা নিরাময় করতে গোলমরিচ সাহায্য করে। নাক বন্ধ থাকা, হাঁপানি ইত্যাদি থেকে মুক্তি দিতেও গোলমরিচের জুড‌়ি মেলা ভার। এক কাপ গরম জলে এক টেবিল চামচ গোলমরিচ এবং দুই টেবিল চামচ মধু দিয়ে খেলে শ্লেষ্মা দূর হবে। গলা ব্যথা কমবে। গোলমরিচ খেলে শরীর গরম হয়ে ঘাম বেশি হয়। ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন কমতে থাকে। ফলে ত্বক ভালো থাকে ও ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *