Breaking News
Home | টেলিগ্রাফ | মির্জা ফখরুলে অনুরোধটুকুও রাখা হয়নি

মির্জা ফখরুলে অনুরোধটুকুও রাখা হয়নি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ধরেও গ্রেফতার এড়াতে পারলেন না ছাত্রদল উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজ। বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আজ প্রেসক্লাবের দলটির অবস্থান কর্মসূচিতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাকে আটক করেছে।
কর্মসূচি চলাকালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর মিজানুর রহমানকে প্রথম দফায় ধরার জন্য চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় তাকে ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পরে প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থানরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব সদস্য একযোগে তাকে ধরার চেষ্টা চালান। এ সময় মিজানুর রহমান জড়িয়ে ধরেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বার বার অনুরোধ করার পরেও রেহাই পাওয়া যায়নি। পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যান।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ সারা দেশে অবস্থান কর্মসূচি পালনের অংশ হিসেবে সকাল থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন নেতাকর্মীরা। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থানরত দলের নেতা-কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন। সংবাদ উৎস- ইনকিলাব ও নয়া দিগন্ত

আরও পড়ুন- ‌‘‌লাভ জিহাদ’ খারিজ, স্বামীর সঙ্গেই থাকবেন নওমুসলিম হাদিয়া
অবশেষে জয় হলো প্রেমের। শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে স্বীকৃতি পেল হাদিয়ার বিয়ে। সাফিনকে ভালোবেসেই মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করেছিলেন হাদিয়া। সেকথা একাধিকবার বলেও কোনো লাভ হয়নি। মেয়ে লাভ জিহাদের শিকার দাবি করে কেরল হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন হাদিয়ার বাবা। উগ্রবাদী হিন্দুরা তাকে এ মামলা করতে উৎসাহিত করেছিল।

কেরল হাইকোর্টের রায়ে সাফিনের সঙ্গে সংসার করার স্বপ্ন প্রায় ভেঙে যেতে বসেছিল হাদিয়ার। হোমিপ্যাথি কলেজের হোস্টেলে একাই থাকতে হচ্ছিল তাকে। স্বামীর সঙ্গে কথা বলার অনুমতি পর্যন্ত ছিল না। কেরল হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হাদিয়া। নিজে গিয়ে বিচারকদের সামনে জবানবন্দিও দিয়েছিলেন তিনি। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার হাদিয়ার পক্ষেই রায় দিলো শীর্ষ আদালত। কেরল হাইকোর্টের রায়কে সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে। কোনো প্রাপ্তবয়স্কের বিয়ের সিদ্ধান্ত হস্তক্ষেপ করতে পারে না আদালত। হাদিয়া এবং সাফিন নিজেদের ইচ্ছেয় এক হয়েছেন। হাদিয়াও স্বেচ্ছায় ধর্মান্তরিত হয়েছে। এটা খারিজ করার ক্ষমতা আদালতের নেই।
প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি খানইউলকর ও বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ হাদিয়ার বিয়ের স্বীকৃতি দিয়ে জানিয়েছে কোনো এজেন্সি বিয়ের তদন্ত করতে পারে না।

সুপ্রিমকোর্ট পর্যবেক্ষণ করে আগেই জানিয়েছিল এনআইএ কখনো দুই প্রাপ্ত বয়স্কের স্বেচ্ছায় বিয়ে নিয়ে তদন্ত করতে পারে না। যদিও হাদিয়ার বিয়েকে ‘লাভ জিহাদ’ তকমা দিয়ে সন্ত্রাস যোগের অভিযোগ জানিয়েছেন তার বাবা। তারই প্রেক্ষাপটেই তিনি এনআইএ তদন্ত দাবি করেছিলেন। ভারতে উগ্রবাদীরা অভিযোগ করছে, মুসলিম তরুণরা বিয়ের ফাঁদ পেতে হিন্দু তরুণীদের ধর্মান্তিত করছে। তারা একে ‘লাভ জিহাদ’ হিসেবে অভিহিত করার চেষ্টা করছে।
Like this:Like Loading…

Related

About admin

Check Also

‘দিল্লি লুটের সময়ও এত টাকা লুট হয়নি’

দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা ও অনিয়ম নিয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *