Home | রাজনীতি | ময়লার ভাগাড়ে বঙ্গবন্ধু!
Exif_JPEG_420

ময়লার ভাগাড়ে বঙ্গবন্ধু!

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর জন্য সাটানো ব্যানার বাথরুমের পাশে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়ার ঘটণায় গনপূর্ত অধিদপ্তরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত এ ব্যানার টানিয়েছিল বঙ্গবন্ধু পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ। অধিদপ্তরের দায়িত্বে থাকা উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আল আমিনের নির্দেশে দায়িত্বরত আনসার এ ব্যানার ডাস্টবিনে ফেলেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মির্জা এটিএম গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি দপ্তরগুলো এবং দপ্তর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে স্ব স্ব দপ্তরের সামনে ব্যানার ফেস্টুন টানিয়েছে। কিন্তু গনপূর্ত অধিদপ্তরের কোনো ব্যানার নেই। প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বৃহৎ প্লাটফর্ম বঙ্গবন্ধু পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ ব্যানার টানালেও তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ব্যানারটি শুধু সরানোই হয়নি বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার জন্য তার ছবিযুক্ত ব্যানার ফেলা হয়েছে বাথরুমের পাশে ময়লার ভাগাড়ে।

এদিকে পিডব্লিডিতে কর্মরত একাধিক ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় মূল ভবনের ফটকের সামনে ব্যানার প্রতিস্থাপনের জন্য গেলে উপরের নিষেধ আছে জানিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধা দেয় দায়িত্বরত আনসার কমান্ডার। কার নির্দেশে বাঁদা দেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে উপস্থিত সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মির্জা এটিএম গোলাম মোস্তফাকে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আল আমিনের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলিয়ে দেয়। কথা বলার এক পর্যায়ে ওই উপবিভাগীয় প্রকৌশলী গনপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের দোহাই দিয়ে ব্যানার না টানানোর কথা বলেন। কিন্তু কেন টানানো যাবে না এবিষয়ে তিনি কোনো উত্তর দেননি। এরপর সংগঠনের নেতাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখানে ব্যানার টানিয়ে দেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। কিন্তু রাতেই ব্যানার সরিয়ে ময়লার ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়।

তারা অভিযোগ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছবি ময়লার ভাগাড়ে ফেলার কাজ নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগের মতাদর্শীরা করবেন না। বিএনপি-জামায়াতের দোসররাই এ কাজটি করেছে। উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আল আমিন কেন বাঁধা দিলেন তাও খতিয়ে দেখা দরকার। পুরো ভবন সিসি ক্যামেরায় আওতায় আছে। প্রধান প্রকৌশলী নিজের চেয়ারে বসেই সব দেখতে পান। তিনি নিশ্চয়ই জানবেন কারা এই দুঃসাহসিক কাজ করেছে।

এ ব্যাপারে প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, এটি নিঃসন্দেহে জঘন্যতম এবং ঘৃন্যতম কাজ। বিষয়টি আমার কাছে এখনও কেউ বলেনি। তাই এ সম্পর্কে জানা ছিলনা। তবে যারাই দুঃসাহসিক এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। purboposhchimbd

About sarah

Check Also

‘আমাদের নেত্রী একবারও বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন নাই’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে একবারও বক্তব্য দেননি বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ …

Leave a Reply